ভারতের অর্থনীতির এই বেহাল দশার মধ্যেও মোদির গালভরা গল্প অবশ্য থামছে না। তিনি দিয়ে যাচ্ছেন উচ্চাভিলাসী প্রকল্প। এরই একটি হচ্ছে আগামী ৫ বছরে জাতীয় অবকাঠামোর নির্মাণে ১ লাখ ৪০ কোটি ডলার ব্যয়ের ঘোষণা। এতে দেশটির বন্দর, রেলওয়ে ও গণপরিবহনে মেট্রো সিস্টেম চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্লিন এনার্জি সরবরাহ, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাও এই প্রকল্পের অন্তভুক্ত। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা এখন প্রশ্ন তুলছেন, এতো টাকা আসবে কোত্থেকে
মজার ব্যাপার হলো কংগ্রেস নেতারা বিজেপির সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে নিজেদের খাঁটি হিন্দু প্রমাণে। রামের প্রতি নিজের আস্থার কথা জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াংকা গান্ধী। ৫ জুলাই মন্দিরের ভিত্তি স্থাপনের পর রামনাম জপতে দেখা গেছে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও
কাশ্মীরসহ সারা ভারতে হিন্দু মৌলবাদী প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারত যদি চীনের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে, চীনের কিছু বলার কি মুখ থাকবে? না থাকবে না। ভারত ইতোমধ্যে এই কান্ড শুরু করেছে। কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা হরনের পর এখন কাশ্মীরের জন বিন্যাস পাল্টে দেয়ার কাজ শুরু করেছে
চীন তার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনচিয়াং প্রদেশের ১০ লাখ উইঘুর মুসলমানকে তথাকথিত 'শিক্ষা শিবিরে' বন্দী করে ইসলাম ধর্ম ভুলিয়ে নাস্তিক্যবাদ শেখানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। পাকিস্তান নিজেকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সোচ্চার দেশ বলে দাবি করলেও এ ইস্যুতে তারা চোখ-মুখ বন্ধ করে রেখেছে। এ অবস্থায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হিপোক্র্যাসির অভিযোগ উঠছে। কিন্তু 'সিরাজউদ্দৌল্লাহ' নাটকের গোলাম হোসেনের মতো বাস্তবের ইমরান খানেরও হাত-পা বাঁধা অর্থনীতি ও কৌশলগত স্বার্থের দড়িতে
মোদি ভেবেছিলেন, চীনকে বাগে আনতে যুক্তরাষ্ট্র তাকে সত্যিই সমর্থন দিয়ে যাবে। এটা হলো সেই সময়ের কথা, যখন কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়া রোধে ব্যর্থতার অভিযোগের মুখে চীন বেশ বেকায়দায় ছিল। এ সময় মোদিকে তার বিদেশী বন্ধুরা এবং নিজ দল বিজেপি-র নীতি বিশ্লেষকরা বোঝাতে সক্ষম হন যে, চীন এখন বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। কাজেই ১৯৬২ সালের যুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ গ্রহণের এটাই মোক্ষম সময়