ভারতের আভ্যন্তরিন রাজনীতিতে যে উগ্রজাতীয়তাবাদী ভাবাবেগ তৈরি করা হয়েছে তা দেশটিকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আভ্যন্তরিন রাজনীতিতে অবস্থান ধরে রাখার জন্য চীনের সাথে একটি অসম প্রতিযোগিতা আর লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে ভারতকে। এখান থেকে সরে আসাও ভারতের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। কারন পশ্চিমা দেশগুলোও ভারতকে পুরোপুরিভাবে চীনবিরোধী ভূকায় ব্যবহার করবে। যা থেকে ভারত খুব কমই লাভবান হবে
দিল্লির পর্যবেক্ষকরা দোভালকে দেখেন বহুমুখী শক্তির অধিকারী একজন মানুষ হিসেবে, যিনি সহজেই আমলাতান্ত্রিক জটাজাল কেটে ফেলতে এবং আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের বেড়াজাল ছিন্ন করতে পারেন, যা একজন মন্ত্রীকে অবশ্যই মেনে চলতে হয়। তার কার্যালয় অবস্থিত সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ঠিক পেছনেই। এ কারণেই তাকে হয়তো বা বলা হয়, মোদির কান
রাশিয়া থেকে ভারতের মিগ আর এসইউ-৩০ বিমান কেনার সমালোচনা করে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ফোর্বস বিজনেস ম্যাগাজিনে। এতে লেখা হয়েছে- ভারতের বিমান বাহিনীর নতুন যুদ্ধবিমান দরকার। গালওয়ান ভ্যালিতে চীনের সাথে রক্তাক্ত সীমান্ত সংঘাতের আগেই তাদের নতুন শক্তিশালী যুদ্ধবিমান দরকার ছিল। আর হিমালায়ে সীমানা নিয়ে চীনের সাথে সাম্প্রতিক বিরোধের তার তাদের এ বিমানের প্রয়োজনীয়তা আরো তীব্র হয়
জম্মু-কাশ্মিরকে ভারতভূক্ত করাকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করে সিন্ধুর পানি বণ্টন চুক্তি থেকে বের হয়ে আসতে পারে পাকিস্তান। তেমন কিছু ঘটলে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই! এমনিতেই চীনের উচ্চাভিলাষী রোড অ্যান্ড বেল্ট প্রকল্পসহ নানা বিষয়ে পাক-ভারত সম্পর্ক ধোঁয়াটে, এর মাঝে পানি নিয়ে বিরোধ ভবিষ্যতে যদি সামরিক সংঘাতের দিকেও ঠেলে দেয়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না
ভারতের সাথে নেপালের সীমান্ত বিরোধ ও নতুন মানচিত্র প্রকাশ করার পর কাঠমান্ডুর সাথে দিল্লির দূরত্ব আরো বেড়েছে। নেপালের এই কঠোর অবস্থানকে হু ইয়াংকির আগ্রাসী কূটনীতির ফল বলে মনে করেন নয়াদিল্লির অনেক বিশ্লেষক। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি অভিযোগ করছেন তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে নয়াদিল্লি। দলের মধ্যে প্রথম সারির অনেক নেতা ওলির পদত্যাগ চেয়েছেন। অপরদিকে ভারতের গনমাধ্যমের খবর হচ্ছে ওলিকে ক্ষমতায় রাখতে নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন হু ইয়াংকি